যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

‘শেয়ারবাজারে প্রতারণার সুযোগ দিতে চাই না’

‘শেয়ারবাজারে প্রতারণার সুযোগ দিতে চাই না’

নিজেস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেছেন, শেয়ারবাজারে আমরা কোনো ধরনের প্রতারণা বা জালিয়াতির সুযোগ দিতে চাই না। আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব। এজন্যই দিনে দিনে কমিশন কঠোর হচ্ছে।

রোববার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সিকিউরিটিজ কমিশন ভবনে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাসিক স্টেটমেন্ট প্রদান সেবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিডিবিএলের এই মাসিক স্টেটমেন্ট প্রদানের সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদেরকে প্রতি মাসে তাদের সিকিউরিটিজ ক্রয়-বিক্রয়ের তথ্য মেইলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। যেখানে মাসের শুরুর এবং শেষের ব্যালেন্সও থাকবে। যাতে করে ব্রোকারেজ হাউজ থেকে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে কেউ ভুল পোর্টফোলিও প্রদান করলেও সিডিবিএলের স্টেটমেন্ট দেখে তা সহজেই ধরে ফেলা যাবে।

শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর ২ থেকে ৩টি ব্রোকারেজ হাউজে অনিয়মের ঘটনা দেখেছি। কাস্টমার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা-পয়সা সরিয়ে ফেলা হয় ও বিভিন্ন রকম সফটওয়্যার ব্যবহার করে মানুষের সঙ্গে জালিয়াতি করা হয়। এই জিনিসগুলো বন্ধ করার জন্য সিডিবিএলের মাসিক স্টেটমেন্ট প্রদান সেবাটি খুবই জরুরি। এর মাধ্যমে কাস্টমারদের প্রতারণা কমবে। কারণ এখন থেকে ব্রোকারেজ হাউজ থেকে যে পোর্টফোলিও পাঠানো হয়, তারসঙ্গে সিডিবিএলের স্টেটমেন্টের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা। যাতে ব্রোকারেজ হাউজে কোন রকম প্রতারণার আশ্রয় নিলে, তা বিনিয়োগকারী বুঝতে পারবে।

তিনি বলেন, সিডিবিএলের মাসিক স্টেটমেন্ট প্রদানের সেবাটি গ্রহণের জন্য বিনিয়োগকারীদের মেইল ঠিকানাটি সঠিক হতে হবে বলে জানান অধ্যাপক শিবলী। এছাড়া মোবাইল নাম্বারটা সঠিক হওয়াও জরুরি। কারণ এই দু’টি জায়গায় অনেক চালাকি করা হয়। এরকম কাজ কারও মধ্যে দেখা দিলে আমাদেরকে জানাবেন। আমরা সেটার জন্য ব্যবস্থা নেব।

বিএসইসি’র চেয়ারম্যান বলেন, আমরা ব্যবসাবান্ধব সেবা দিতে চাই। আর সেটা দিতে গিয়ে ২ থেকে ৩ শতাংশ মানুষের অসততার কারণে বাধাঁর সম্মুখীন হচ্ছি। এই হার হয়তো আরও কম হবে। এই অল্প কয়েকজন মানুষের জন্য ৯৭ থেকে ৯৯ শতাংশ মানুষকে কষ্ট পেতে হয়। কারণ ওই মানুষের জন্য আমাদেরকে অনেক রকম নিয়মকানুন বানাতে হয়। যেটার মধ্য দিয়ে নিরীহ ও ভাল মানুষদেরকেও যেতে হয়। তাই আমাদের সবাই মিলে ওই অল্প কয়েকজনকে সমাজ থেকে বিতারিত করে দিতে হবে। তাহলে কিন্তু বাকিরা সহজেই ব্যবসা করতে পারবে।

সিডিবিএল কর্তৃপক্ষকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা নিয়মিত বিনিয়োগকারীদেরকে স্টেটমেন্ট পাঠাবেন। এমনকি বিনিয়োগকারীরা যাতে নিজেরাই ঢুকে পোর্টফোলিও চেক করে নিতে পারেন, সে ব্যবস্থা করবেন। যাতে কোন ব্রোকারেজ প্রতারণার আশ্রয় নিলে সাথে সাথেই ধরা পড়ে যায়। এছাড়াও যদি বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য অন্য কোন উপায় থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তবে সবসময় ব্রোকারেজ হাউজের মালিকদেরকে দোষারোপ করা যাবে না। কারন অনেক সময় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজেরাও অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। যেটা মালিকপক্ষ জানে না।

হ্যাকিং প্রসঙ্গে বিএসইসি’র চেয়ারম্যান বলেন, আমাদেরকে হ্যাকিংয়ের হাত থেকে রক্ষা পেতে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ নিতে হবে। যাতে হ্যাকাররা কোনভাবেই হ্যাক করে আমাদেরকে সমস্যায় ফেলতে না পারে। কারন দেশে-বিদেশে হ্যাকাররা খুবই বুদ্ধিমান। তারা আমেরিকার মতো দেশে হ্যাক করে স্বার্থ আদায় করে নিচ্ছে। সুতরাং হ্যাকিং খুবই ভয়াবহ বিষয় হয়ে দাড়িঁয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএসইসির কমিশনার শেখ সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, সিডিবিএলের আজকের মাসিক স্টেটমেন্টের মতো যত সার্ভিস চালু করা যাবে, শেয়ারবাজারের প্রতি তত বিশ্বাস তৈরী হবে। যেটা শেয়ারবাজারের জন্য খুবই জরুরি। কোন বিনিয়োগকারীর যদি ব্রোকারেজ হাউজ থেকে বা অন্যকোনভাবে টাকা ও শেয়ার গায়েব হয়ে যায় এবং তা ফেরত না পাওয়া যায়, তাহলে আত্মসাতকারীকের যতই শাস্তি দেওয়া হোক না কেনো, তাতে প্রকৃতপক্ষে কোন লাভ হবে না। তবে আত্মসাতের মতো অনিয়ম মূর করতে সিডিবিএলের মাসিক স্টেটমেন্ট প্রদান সেবাটি কাজে আসবে বলে তিনি মনে করেন।

অনুষ্ঠানে বিএসইসির আরেক কমিশনার আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের শেয়ারবাজারে আইন-কানুন পর্যাপ্ত আছে। তারপরেও কিভাবে বিনিয়োগকারীদের সম্পদ আত্মসাতের মতো ঘটনা ঘটে, তা খুজেঁ বের করার জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সিডিবিএলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শভ্র কান্তি চৌধুরী, বিএসইসির নির্বাহি পরিচালক মো. আনোয়ারুল ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com